• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ইয়াবা সহ সিএনজি জব্দ, চালক আটক

উখিয়া প্রতিনিধি / ৩৬৬ Time View
Update : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবি’র হাতে ১০ দশ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারী আটক।

গ্রেফতারকৃত আসামি পূর্ব রঙ্গীখালী গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম এর ছেলে ( ৪০) জসিম উদ্দিন।

রবিবার (০৪ জানুয়ারি) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আজ রবিবার (০৪ জানুয়ারি) ২০২৬ইং আনুমানিক ১০,০০ ঘটিকার সময় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর হোয়াইক্যং চেকপোষ্টের টহল দল কর্তৃক রঙ্গীখালী হতে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে আসা যাত্রীবাহী সিএনজি হোয়াইক্যং চেকপোস্টের কাছে আসলে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যগণ তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীকালে সিএনজি’র নীচে গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে অভিনব কৌশলে লুকায়িত পলিথিনে মোড়ানো ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সিএনজি’র চালক জসিম উদ্দিন (৪০), পিতা-আবুল কাশেম, মাতা-লায়লা বেগম, গ্রাম-পূর্ব রঙ্গীখালী, ডাক-রঙ্গীখালী, থানা-টেকনাফ ও জেলা-কক্সবাজারকে আটক করা হয়। এছাড়াও আটক করা হয় ইয়াবা ট্যাবলেট পাচার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি উক্ত ইয়াবা হ্নীলা হতে ক্রয় করতঃ অধিক দামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্য কক্সবাজারে বহন করছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত যাত্রীবাহী সিএনজিটি আরো বিশদভাবে তল্লাশী কার্যক্রম চালানো হলেও আর কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল জসীম উদ্দিন আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত অন্যান্য চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট, সিএনজি

এদিকে, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd