সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারী নেপালের জনতা। সংসদ ভবন ও আদালত-সহ শত শত স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেন। এর কিছুদিন পরই তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অলি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রে অলি লেখেন, তার সরে দাঁড়ানো ‘রাজনৈতিক সমাধান ও সমস্যার নিষ্পত্তির পথে সহায়ক হবে’ বলে তিনি আশা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর সরকারের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদ থেকে শুরু হওয়া ওই আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন নিহত হন। দেশটিতে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং রাজনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে।
তা আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের ফল। অলির নেতৃত্বেই আমরা এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারি।
অলির ক্ষমতাচ্যুতির পর ৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ৫ মার্চের নির্বাচন পর্যন্ত হিমালয় অঞ্চলের দেশটির নেতৃত্ব দেবেন।
টানা তৃতীয়বার নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (ইউএমএল) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন কে পি শর্মা ওলি। গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে জেন-জি আন্দোলনে তার সরকারের পতন হয়। এরপর রাজনৈতিকভাবে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেলেও এখন আবার দৃশ্যপটে ফিরেছেন তিনি।