• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

নির্বাচনের আগে ভোটকেন্দ্রে আগুন

নিউজ ডেস্ক। / ২২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নেত্রকোনা সদর উপজেলার নূরপুর সিধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এই নাশকতামূলক কাজ চালায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা পুরাতন ভবনের একটি কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে বা ভেঙে ভেতরে দাহ্য পদার্থ ছড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওই কক্ষটিতে নির্বাচনের দিন চারটি বুথ স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনে কক্ষের দুটি বেঞ্চ, একটি ফ্যান, লাইটসহ কিছু আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বুথের পেছনের জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়।
ঘটনার পর নূরপুর সিধরপুর ভোটকেন্দ্রসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে যারা এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ করছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd