• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা, বাংলা মদ ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ আটক ১ ভুয়া জন্মনিবন্ধন মামলায় সাবেক ইউপি সচিবের কারাদণ্ড, খালাস পেলেন চেয়ারম্যান টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫ কোটি টাকার ১ কেজি আইস জব্দ শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার: মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার রামুতে আভিযানিক দল: অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফরিদ গ্রেফতার টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার রামু খুনিয়াপালং ট্রাক-বাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ যুবক নিহত কক্সবাজার, রামু, ঈদগাঁওয়ে সবুজ সবজির দামে আগুন, বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার র‌্যাব- ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে উখিয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার কক্সবাজার সীমান্তে ৬০০ অসহায় মানুষের মাঝে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা

ভুয়া জন্মনিবন্ধন মামলায় সাবেক ইউপি সচিবের কারাদণ্ড, খালাস পেলেন চেয়ারম্যান

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমকে (৪৭) তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই মামলায় অন্য দুই আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ নূরুল আলম (৪৭), কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার মৃত আবু সালামের ছেলে। বর্তমানে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত আছেন৷ তিনি পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব।
খালাসপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৌভ্রাত দাশ।
দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন গণমাধ্যম’কে বলেন, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে সাবেক ইউপি সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন না। তাই তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে চারজন ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করেন। তিনি নিজে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ছৈয়দ আহমদ, মো. ইউনুছ, শামসুন্নাহার ও রহিম উল্লাহ নামে চারজনের জন্মনিবন্ধন তৈরি করেন, যাদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এসব জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্র গ্রহণের পর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, “জন্মনিবন্ধন ইস্যুর বিষয়টি মূলত ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দেখাশোনা করেন। জন্মনিবন্ধনের সংশ্লিষ্ট কোড ও কারিগরি নিয়ন্ত্রণও সচিবের কাছেই থাকে। তদন্তকারী কর্মকর্তা সব নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে এর আগেই আমাকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেন। আজ আদালত আমাকে চূড়ান্তভাবে খালাস দিয়েছেন। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd