চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সৎ চাচা ও সৎ ভাইয়ের অত্যাচার” মিথ্যা মামলার অপবাদে পুরো পরিবার ঘর ছাড়া” সেই সুযোগে দেওয়া হয়েছে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ লুটপাট” সবকিছু আগুনে পুড়ে করা হয়েছে ধ্বংস: উদ্দেশ্য পৈতৃক সম্পত্তি ভোগ দখল করা – এজন্য বারবার দেওয়া হচ্ছে মিথ্যা মামলা” প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা-
ভুক্তভোগী “জিলান উদ্দিন ও জিশান উদ্দিন- এরা দুই ভাই সহ তার পরিবারের সম্পত্তির লোভে ‘ তার চাচা আকবর ও সৎ ভাই মিজান সহ সবাই মিলে সম্পত্তি ভোগ দখল করার জন্য তাদেরকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করে প্রশাসন ও দেশবাসীর কাছে ছোট করা হচ্ছে-
অনুসন্ধানে জানা যায় : অভিযুক্ত আকবরের পৈত্রিক থেকে একাধিক বিয়ের প্রবণতা রয়েছে সেখান থেকেই দেখা যায় নিজের আত্মীয়স্বজনের জমি জামা ভোগদখল ও তাদের হয়রানীর বিষয়টি উঠে আসে–
ফররুক আহম্মদ: পিতা: এমদাদ!
যথাক্রমে:; ফররুক আহমদের ছিল চার স্ত্রী:
১ নং স্ত্রী” সালেহা বেগম :
২ নং স্ত্রী আজু বাহার
৩ নং স্ত্রী বেগম জান
৪ নং স্ত্রী রশিদা খাতুন—-
১ নং স্ত্রী’সালেহা”বেগম:১ম স্ত্রীর তিন ছেলে”৫’মেয়ে
যথাক্রমে ছেলে : ১ নং রফিক ২ নং মোঃ শফি ৩ নং রশিদ আহমদ–
৫ মেয়ে: যথাক্রমে ১ নং লমনুছ বেগম ২ নং খাইরুন নেছা : ৩ নং রহিমা: ৪ নং বুলু : ৫ নং লায়লা
২ নং স্ত্রী আজু বাহার- তার ছিল’ ৫ ছেলে * ১ মেয়ে
যথাক্রমে: ছেলে ১ নং: রাজা মিয়া: ২ নং আকবর
৩ নং মোজাম্মেল হক: ৪ নং সোলাইমান: ও ৫ নং ইয়াকুব: ১ মেয়ে : নুরনাহার বেগম :
৩ নং স্ত্রী: বেগম জান : তার ছিল ‘ ১ছেলে * ২ মেয়ে
১ নং : ছেলে- রেজাউল করিম : ২ মেয়ে : ১ নং আয়েশা: ও ২ নং জোবেদা :
৪ নং স্ত্রী: রশিদা খাতুন : তার ছিল”৫ ছেলে * ২ মেয়ে’
যথাক্রমে ছেলে- ১ নং ‘( জালাল আহমেদ) “২ নং জমির উদ্দিন: ৩ নং বোরহানউদ্দিন: ৪ নং ‘ আলমগীর ফারুক: ও ৫ নং” মোঃ মানিক:
২ মেয়ে: ১ নং মনোয়ারা বেগম” ২ নং ‘শামসুন্নাহার :
ভুক্তভোগী : জিলান উদ্দিন ও জিসান উদ্দিনের:
পিতা: জালাল আহমদের ও রয়েছে দুই স্ত্রী-
১ নং স্ত্রী: রওশন আরা : তার রয়েছে –
২ ছেলে* ২ মেয়ে —
১ নং ছেলে ‘ জিলান উদ্দিন: ২ নং জিসানউদ্দিন
দুজনেই বর্তমানে তাদের সৎ ভাই” মিজান” এবং সৎ চাচা ” আকবরের” রোশনলের শিকার হয়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রশাসনের ভয়ে–
২য় স্ত্রী : শাহানা আক্তার: তার আছে ”
২ ছেলে * ৩ মেয়ে –
১ নং ছেলে” মিজান’ সে সরকারি কোন একটা ডিপার্টমেন্টে কর্মরত রয়েছে বলে জানা গেছে – ২ নং ইমরান:
মেয়ে: ১ নং ” তাহমিনা: ২ নং” হাফছা’জাহান: ও
৩ নং জান্নাত তানজি: মূলত তারা একে অপর আত্মীয় হলেও সৎ ভাই বোন এজন্য তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘসময় অনুসন্ধানের মাধ্যমে এসব হৃদয়ে বিদারক বিষয়টি উঠে আসে–
গেল বুধবার ১০ জুন) বেলা ১১ টার দিকে দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে’ উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ডলোনিরঘোনা এলাকায়’বসত বাড়িতে এ নির্মম অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটে।
তাদের দাবি, সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে।
অভিযোগকারী দুই ভাই জিলান উদ্দিন ও জিশান উদ্দিন জানান, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদের চাচা আকবর এবং সৎ ভাই মিজানসহ কয়েকজন আত্মীয় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে আসছেন। তারা দাবি করেন, সম্পত্তির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করার জন্য প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি, হুমকি এবং আইনি হয়রানির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করা হয়েছে, যাতে তারা আদালত ও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব মামলার কারণে পরিবারের সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না এবং অনেক সময় নিরাপত্তার অভাবে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন।
পরিবারটির অভিযোগ, তারা বাড়ি থেকে দূরে থাকার সুযোগে- তাদের সৎ চাচা আকবর ও তার ছেলেরা”
যথাক্রমে– সাইদুল ইসলাম মারুফ আবদুল্লাহ আল মামুন” রিদুয়ানুল ইসলাম মাসুম” আবদুর রহিম” আনিকা” সালসাবিল তোরা” পাখি আকতার” সহ আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা লোকজন জড়ো হয়ে
তাদের ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে- তাদেরকে দেখলে পরিচয় সনাক্ত করা যাবে”
আকবরের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে এমন মিথ্যা অপবাদ দেয়- অথচ যেদিন আকবরের বাড়িতে চিৎকারের আওয়াজ হয় ঘরে চোর বা ডাকাত ঢুকেছে এমন শব্দে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে : তাৎক্ষণিক – ভুক্তভোগী – জিলান জিসানের আরেক সৎ চাচা ইয়াকুব’ তাদের ঘরে গিয়ে ঘুম ভাঙ্গিয়ে তারা দুজনকে ডেকে নিয়ে যাই আকবরের বাড়িতে ঘটনা দেখার জন্য’ অর্থাৎ আকবরের বাড়িতে যখন ঘটনা ঘটে তখন তারা দুজন তাদের স্ত্রী ছেলে সন্তান সহ একই সাথে তাদের বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল- পরের দিন- পূর্বের ন্যায়’ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে’ তাদের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা লুটপাট করার জন্য মিথ্যা মামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদেরকে ঘরছাড়া করে এবং দুটি বাড়িতেই অগ্নিসংযোগ করে–
(অর্থাৎ) জিলান উদ্দিন ও জিসান উদ্দিনের দুটি বসতবাড়িতে পেট্রোল দিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ছেলেমেয়েদের জন্ম নিবন্ধন সনদ তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র ন্যাশনাল আইডি কার্ড দুই ঘরে মিলে পাঁচশত আড়ি মত ধান – চাউল ঘরের ফার্নিচার তাদের মা এবং স্ত্রীদের স্বর্ণালংকার নগদ অর্থসহ ঘরের অন্যান্য শত শত ও মূল্যবান সামগ্রী আগুনে পুড়ে চায় হয়ে যায়। পাশাপাশি ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাটেরও অভিযোগ করেছেন তারা। অগ্নিকাণ্ডে তাদের অন্তত ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে:
জিলান উদ্দিন বলেন, “আমরা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার চাই। কিন্তু সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য নানা অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে। আমরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি।”
অপর ভুক্তভোগী জিশান উদ্দিন বলেন, “আমাদের পরিবারকে সম্পূর্ণভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে”
অভিযুক্ত: আকবরের পরিবারের সদস্যরা ও এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেছেন:
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে আরও জানায়, তারা বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় তারা হতাশ।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাদের দাবি, ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং যারা মিথ্যা মামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য:
হৃদয়বিদারক নি:শংস লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের এই নির্মম ঘটনার জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার
এদিকে চকরিয়া থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান- বসত বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং লুট পাটের ঘটনার বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি যদি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: