• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: পিস্তল ও গুলিসহ মিনি পিকআপ চালক গ্রেপ্তার ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কর্মী পরীক্ষা শুরু বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার একই রাতে ঈদগাঁওর পোকখালীতে দুই বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৩,৬০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ২০ হাজার ইয়াবাসহ রামু উত্তর ফঁতেকারকুলের নুরুল হাশেম ও তেচ্ছিফুলের হাসান আলী গ্রেপ্তার ​৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুল হাকিম টেকনাফে গ্রেপ্তার ​৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ উখিয়ার রহমতের বিলের মনজুর আলী আটক অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে ঈদগাঁওজুড়ে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি ঈদগাঁবাসীর

কুড়াখালকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী ও প্রবাসীরা

সৌদি প্রতিনিধি / ৭৮ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

সৌদি প্রতিনিধি : রানা ১০১ টিম।

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার কুড়াখাল ৪ নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ও উন্নত সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এলাকাবাসী, প্রবাসী মহল এবং যুব সমাজের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বক্তারা বলেন, “কুড়াখাল গ্রাম মাদকমুক্ত গ্রাম চাই, কুড়াখাল যুব সমাজের উন্নয়ন চাই। মাদক ছাড়ো, না হয় গ্রাম ছাড়ো”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, একটি পরিবার, সমাজ ও জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে এখনই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সভায় উপস্থিত অভিভাবকরা তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখা সম্ভব। তারা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মানবতাবাদী সৌদি প্রবাসী মো: সেলিম রানা, মালদ্বীপ প্রবাসী আল-আমীন এবং কুড়াখাল যুব সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা (মানবতার সংগঠন)-এর নেতৃবৃন্দ বলেন, কুড়াখালকে একটি আদর্শ, শিক্ষাবান্ধব ও মাদকমুক্ত গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সমাজের সচেতন মানুষ, শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি এবং যুবকদের সমন্বয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, মাদকের সঙ্গে জড়িত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী প্রচারণা, গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুব সমাজের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
বক্তারা আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সবাই শপথ করি, সুস্থ সমাজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।” আগামী প্রজন্মকে নিরাপদ ও সুশিক্ষিত পরিবেশ উপহার দিতে কুড়াখালকে মাদকমুক্ত করা সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে প্রবাসী ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সকলের সহযোগিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে কুড়াখাল একদিন মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী গ্রাম হিসেবে সারা দেশে উদাহরণ সৃষ্টি করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd