লিখেছেন, আজিম নাহিদ।
সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে এবং সাংবাদিকতার নীতিনৈতিকতা বাস্তবায়নে ২০২৪ সালের শুরুর দিকে কাজ শুরু করেছিলাম আমি এবং সৌরভ দেব । আমরা অন্তত ৩০ জনেরও বেশি তরুণ সাংবাদিককে বুঝানোর চেষ্টা করেছিলাম টানা কয়েক মাস। দেশের খ্যাতনামা সাংবাদিকতার শিক্ষকদেরও নিয়ে এসেছিলাম কর্মশালায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য ৫ আগস্ট পরবর্তী ভেন্যু সংকটে পিআইজে কক্সবাজার এর কার্যক্রম আর এগিয়ে নিতে পারিনি। কারণ এটি ছিলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যের প্ল্যাটফর্ম।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এখন বাসা থেকে বের হলেই অন্তত কয়েক ডজন সাংবাদিক চোখে পড়ে যাদের অধিকাংশেরই নূন্যতম সাংবাদিকতার ধারণা নেই। বিধিনিষেধ না থাকায় যখন যার যা মন চায় করে বেড়াচ্ছেন। শেখার বা জানার আগ্রহও নাই তাদের।
নারী ও শিশুদের বিষয়ে যে মিনিমাম নীতি আছে সেটাও তারা জানেনা। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মেইনস্ট্রিম মিডিয়ারও অনেক সাংবাদিক নারী ও শিশু ইস্যুতে কুরুচিপূর্ণ এবং ব্যবহার অযোগ্য শব্দ ব্যবহার করেন।
ইদানীং সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিকতার সাথে ধর্মকে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে। অনেক তরুণ বা বিভিন্ন বয়সী সাংবাদিক এখন বিভিন্ন ইস্যুকে সাংবাদিকতার সেন্স থেকে বিবেচনা না করে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ দিয়ে বিবেচনা করেন। যেটার মাধ্যমে মানবাধিকার হরণ হচ্ছে, সাংবাদিকতার নীতি লঙ্ঘন হচ্ছে।
সাংবাদিকতা এখন বেশ অসুস্থ। সম্ভবত কিছুদিনের মধ্যে আইসিইউতে চলে যাবে। হয়ত সেখান থেকে নাও ফিরতে পারে সুস্থ ধারায়।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মুখরোচক সাংবাদিকতার কারণে ইদানীংকালে পাঠকগুলোও বড্ড যৌন খবর মুখী হয়ে গেছে। এখান থেকে বের হওয়া জরুরি, তা না হলে শুধু সাংবাদিকতা ধ্বংস হবেনা, সাথে সমাজ-দেশও ধ্বংস হয়ে যাবে।