• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: পিস্তল ও গুলিসহ মিনি পিকআপ চালক গ্রেপ্তার ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কর্মী পরীক্ষা শুরু বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার একই রাতে ঈদগাঁওর পোকখালীতে দুই বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৩,৬০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ২০ হাজার ইয়াবাসহ রামু উত্তর ফঁতেকারকুলের নুরুল হাশেম ও তেচ্ছিফুলের হাসান আলী গ্রেপ্তার ​৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুল হাকিম টেকনাফে গ্রেপ্তার ​৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ উখিয়ার রহমতের বিলের মনজুর আলী আটক অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে ঈদগাঁওজুড়ে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি ঈদগাঁবাসীর

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উল্লেখের পরও ন্যায়বিচার পাননি সাংবাদিক ফরিদুল

জাওয়ান উদ্দিন,কক্সবাজার / ২১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬


কক্সবাজার: টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসের হাতে অমানবিক নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৬টি সাজানো মিথ্যা মামলা ৭ বছর পরও প্রত্যাহার হয়নি।

২০১৯ সালে ‘টাকা না দিলে ক্রসফায়ার দেন টেকনাফের ওসি’ শিরোনামে মাদক ও পুলিশের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় প্রদীপের রোষে পড়েন তিনি। বিনা ওয়ারেন্টে ঢাকা থেকে তুলে এনে পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির ৬টি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান ফরিদুল।
জামিনের পর প্রদীপসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলা আজও আদালতে রেকর্ড হয়নি। পিবিআই ৬ বছর ধরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তার স্ত্রীর দায়েরকৃত হাইকোর্ট রিটও ৭ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি। পাসপোর্ট নবায়নও আটকে আছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের অজুহাতে।
ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, “মামলার বোঝা আর সইতে পারছি না। আর্থিক দৈন্যদশা বেড়েই চলেছে। পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।”
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে মামলা প্রত্যাহারের দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২০ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনেও এ ঘটনাকে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
স্থানীয় সাংবাদিকরা দফায় দফায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছেন। ফরিদুল বারবার প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। সর্বশেষ গত ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আবারও মামলা প্রত্যাহার, জানমালের নিরাপত্তা ও পাসপোর্ট উদ্ধারের আবেদন করেছেন তিনি।
এখনো মামলার খরচ, নিরাপত্তাহীনতা ও আর্থিক সংকটে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন নির্যাতিত এ সাংবাদিক। অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি ও স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd