আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট আয়োজনের কারণে সরকারের নির্বাচনী ব্যয়ে ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। এই দ্বৈত ভোটের প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত বাজেট যুক্ত হওয়ায় মোট খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি গণভোটের প্রচার-প্রচারণা খাতে এবার ছয়টি মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হচ্ছে। এই অর্থ মূলত গণভোট সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচারণা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যয় হবে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একই দিনে দুটি ভোটগ্রহণের ফলে ব্যালট পেপার ছাপানো, লজিস্টিকস, নিরাপত্তা ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের মূল বাজেটের সঙ্গে অতিরিক্ত বরাদ্দ যুক্ত করে মোট ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে।
এই ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যে গণভোটের প্রচারণায় মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তবে অফিসিয়ালভাবে এই বরাদ্দের বিস্তারিত ব্যবহার ও উদ্দেশ্য নিয়ে আরও তথ্য প্রকাশের অপেক্ষা রয়েছে।