• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

পটুয়াখালীর বাউফলে এক যুবকের বিরুদ্ধে দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক। / ৩৩০ Time View
Update : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে চাঞ্চল্যকর ঘটনা: একই যুবকের বিরুদ্ধে দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় এক যুবকের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে দুই নবম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তের নাম অনিক (২০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার একটি গ্রামে দুই স্কুলছাত্রীকে (উভয়ই ১৪-১৫ বছর বয়সী) পৃথক সময়ে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় অনিক। পরে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। দুই ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে চুপ থাকলেও, পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

থানা সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগী দুই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অনিক এলাকায় পরিচিত মুখ হলেও এ ধরনের কাজের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আগে কখনো প্রকাশ্যে আসেনি। দুই পরিবারের দাবি, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

বাউফল থানার কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, অভিযুক্ত অনিককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত চলছে এবং খুব শিগগিরই আসামিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
এই ঘটনা নিয়ে এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজ ও প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd