• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কর্ণফুলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৬ কোটি টাকার অবৈধ চিংড়ি রেণু জব্দ ঈদগাঁওতে ঘন ঘন লোডশেডিং, চরম বিপাকে ব্যবসায়ীসহ গ্রাহকরা ইয়াবা পাচারের সময় ধরা পড়ল সিএনজি চালক, উদ্ধার ৮,০০০ পিস অণ্ডকোষে প্রচণ্ড আঘাত: পুলিশের এএসআইয়ের মারধরে বাস হেল্পার আশঙ্কাজনক অবস্থায় টেকনাফে আসামীবিহীন ৬,১২৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করল বিজিবি আন্দামান সাগরে মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবি: ২৫০ জনের প্রাণ সংশয় — স্বপ্ন নাকি অতল সমুদ্রের সমাধি? কক্সবাজার সীমান্তে বিজিবির মানবিক দৃষ্টান্ত: ২৭৯ জন দুঃস্থ পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সেলাই মেশিন কক্সবাজারে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতিত ভদন্ত শরণংকর মহাথের ১৬ এপ্রিল চট্টগ্রামে অবতরণ করেন রামুতে জমির বিরোধের জেরে বিএনপি কর্মী মমতাজকে গ্রেপ্তার: স্থানীয় মিডিয়া পেজ থেকে ‘সন্ত্রাসী’ বানিয়ে প্রচার, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকের কবলে, গাঁজা সবচেয়ে বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮২ Time View
Update : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

২৬ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশে বর্তমানে অবৈধ মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা আনুমানিক ৮২ লাখে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি মানুষ গাঁজা সেবন করছেন—প্রায় ৬১ লাখ। এছাড়া ইয়াবা, অ্যালকোহল, কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের ব্যবহার চলছে।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এবং রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড যৌথভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তত্ত্বাবধানে এই জাতীয় গবেষণা পরিচালনা করেছে। গবেষণাটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত চলে। এতে দেশের ৮টি বিভাগের ১৩টি জেলা এবং ২৬টি উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে, মাদক সেবনের হার বিভাগভিত্তিক বেশ ভিন্ন। ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%) এবং চট্টগ্রাম (৫.৫০%) বিভাগে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে এ হার তুলনামূলক কম।
এই সমস্যা এখন শুধু স্বাস্থ্যগত নয়, বরং একটি বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে মাদকের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মাদক ব্যবহারকারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ ১৮ বছর বয়সের আগেই মাদক গ্রহণ শুরু করেছেন। বন্ধু-বান্ধবের প্রভাব এখানে অন্যতম প্রধান কারণ।
এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশের পর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন কর্মসূচিকে আরও জোরদার করা জরুরি। বর্তমানে মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই তথ্যের ভিত্তিতে নতুন করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়েছে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd