• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: পিস্তল ও গুলিসহ মিনি পিকআপ চালক গ্রেপ্তার ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কর্মী পরীক্ষা শুরু বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার একই রাতে ঈদগাঁওর পোকখালীতে দুই বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৩,৬০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ২০ হাজার ইয়াবাসহ রামু উত্তর ফঁতেকারকুলের নুরুল হাশেম ও তেচ্ছিফুলের হাসান আলী গ্রেপ্তার ​৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুল হাকিম টেকনাফে গ্রেপ্তার ​৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ উখিয়ার রহমতের বিলের মনজুর আলী আটক অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে ঈদগাঁওজুড়ে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি ঈদগাঁবাসীর

দক্ষিণ মিঠাছড়ির পশুর হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত: অতিরিক্ত হাসিলে ইজারাদারের জরিমানা

রামু প্রতিনিধি। / ৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

​রামু (কক্সবাজার):

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোরবানির পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল (টোল) আদায়ের অপরাধে কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি কাঠির মাথা নতুন বাজার পশুর হাটের ইজারাদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ ২৬ মে (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
​স্থানীয় ও হাট সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে স্থানীয় প্রশাসন তথা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা হাসিল নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাজার কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের এই নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে প্রতিটি পশু বিক্রির বিপরীতে ক্রেতাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩ হাজার টাকা করে হাসিল আদায় করছিল।
​ভুক্তভোগী কয়েকজন ক্রেতা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের এই বিষয়টি নিয়ে হাটে দায়িত্বরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানান। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বিকেলে হাটে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাতেনাতে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের প্রমাণ পান। সরকারি আদেশ অমান্য করা এবং ক্রেতাদের হয়রানি করার অপরাধে ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, ২০০৯’ এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার আইনের আওতায় হাটের ইজারাদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে ভবিষ্যতে নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত ১ টাকাও বেশি না নেওয়ার জন্য ইজারাদারের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
​অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের জানান, “পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। ১ হাজার টাকার হাসিল ৩ হাজার টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। আজ ইজারাদারকে জরিমানা করে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও যদি কোনো হাটে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে ইজারা বাতিলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর কারাদণ্ড প্রদান করা হবে।”
​এদিকে প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাটে আসা সাধারণ ক্রেতারা। তবে সচেতন মহলের দাবি, বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিপরীতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা তুলনামূলক কম। হাটে প্রতারণা পুরোপুরি বন্ধ করতে ঈদের দিন পর্যন্ত প্রশাসনের এই নজরদারি ও মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd