![]()
বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লামার পাড়া এলাকায় এ সফল অভিযান চালানো হয়।
কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার জনাব এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূইয়ার নেতৃত্বে এসআই মোঃ শওকত জামিলসহ একটি চৌকস পুলিশ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে।
সংবাদে জানা যায়, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের লামার পাড়া সংলগ্ন চেয়ারম্যান বাড়ির পশ্চিমে মসজিদ পুকুর পাড়ে ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করে। ধাওয়া করে দুইজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়, বাকিরা পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতরা:
মেহেদী হাসান (২০), পিতা- মৃত শফি আলম।
জসিম উদ্দিন (২২), পিতা- বাদশা মিয়া।
উভয়েই রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ার ঘোনা (৭নং ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা।
জব্দকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি:
১টি ৪১ ইঞ্চি লম্বা ধারালো লম্বা কিরিচ।
২টি ধারালো ছুরি (১৭ ও ১৬ ইঞ্চি)।
২টি ধারালো দা (২৬ ইঞ্চি)।
২টি লোহার তৈরি হাতুড়ি।
১টি ১৯ ইঞ্চি লম্বা দ্বি-মুখী ধারালো চাইনিজ কুড়াল।
১টি ১৮ ইঞ্চি লম্বা তালা কাটার যন্ত্র (কাটার)।
১টি ২০ ইঞ্চি লম্বা চেইনযুক্ত বিশেষ লোহার কাঁটাযুক্ত যন্ত্র।
০৩টি প্লাস।
এসব সরঞ্জামাদি গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে এবং পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদের ফেলে যাওয়া ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয়।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক ডাকাতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকলে এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে বলে স্থানীয়রা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।