সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ডের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু, কিন্তু OTP ভেরিফিকেশনে বিড়ম্বনা
নিজস্ব প্রতিবেদক।
/ ২৯৫
Time View
Update :
শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
Share
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ডের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু, কিন্তু OTP ভেরিফিকেশনে বিড়ম্বনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সাংবাদিক ও দেশীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য কার্ড ইস্যুর প্রক্রিয়ায় ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রথমবারের মতো পুরোপুরি অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও আবেদনের সুবিধা চালু হওয়ায় গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকরা ঘরে বসে কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু এই নতুন পদ্ধতির শুরুতেই ভেরিফিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) না আসার সমস্যায় পড়েছেন অনেক আবেদনকারী।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল থেকে pr.ecs.gov.bd পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বর ও ইমেইলে OTP পাঠিয়ে পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু অনেক সাংবাদিক অভিযোগ করেছেন যে, রেজিস্ট্রেশনের সময় OTP আসছে না বা দেরিতে আসছে, ফলে পুরো প্রক্রিয়া আটকে যাচ্ছে।
ঢাকার একজন টেলিভিশন সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমি গতকাল সন্ধ্যা থেকে চারবার চেষ্টা করেছি। মোবাইল নম্বর সঠিক দিয়েও OTP আসেনি। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে, আর নির্বাচনের কভারেজের জন্য কার্ড দ্রুত দরকার।” একই অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক ও স্বাধীন পর্যবেক্ষক। তারা জানান, সার্ভার লোড বেশি হওয়া বা OTP সার্ভিস প্রোভাইডারের টেকনিক্যাল সমস্যা হতে পারে এর কারণ।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই পদ্ধতি চালুর ফলে পূর্বের মতো সশরীরে কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাওয়ার ঝামেলা কমবে এবং ব্যয় সাশ্রয় হবে। আবেদন অনুমোদিত হলে কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ের এই টেকনিক্যাল বিড়ম্বনা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
সাংবাদিক নেতারা বলছেন, এই সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয় সে জন্য ইসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনেকে বিকল্প হিসেবে হেল্পলাইন বা ইমেইল সাপোর্ট চালুর দাবি জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে এবং একাধিকবার চেষ্টা করতে। প্রয়োজনে জনসংযোগ শাখায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই নতুন উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সুবিধা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে শুরুর এই বাধা অতিক্রম করতে হবে দ্রুত।