টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ
কক্সবাজারের টেকনাফের
সেনাসদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসা একটি সশস্ত্র চক্র সেনাসদস্যের ওপর হামলার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
যাঁদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে:
লেদা ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও রোহিঙ্গা ডাকাত: আলম ও ডাকাত সাদ্দাম।
অন্যান্য সন্ত্রাসী: মামুন।
টেকনাফ সদর (হাবিব ছড়া এলাকা): সৌদি প্রবাসী মো. সালামের পুত্র জসিম ও তার সহযোগীরা।
বাহারছড়া ইউনিয়ন (নোয়াখালী জুম্মাপাড়া এলাকা): ডাকাত সর্দার রিদওয়ান, মৃত জবর মুল্লুকের পুত্র মুহিন, কাজলের পুত্র মুহাম্মদ এবং মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র জহির আহমদ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্টে খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি সেনাসদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় তাদের মূল হোতা ও সহযোগীদের নাম প্রকাশ্যে আসে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জনতা পরিষ্কারভাবে ঘোষণা দিয়েছেন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাকারী কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া যাবে না। অনতিবিলম্বে ডাকাত আলম, সাদ্দাম, রিদওয়ান, জসিম, মুহিন, মুহাম্মদ ও জহির আহমদসহ সংশ্লিষ্ট সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আইনের কঠোর বিধান নিশ্চিত করার জন্য তারা জোর দাবি জানিয়েছেন।
দেশ ও জাতির সুরক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ওপর হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।