নিজস্ব প্রতিবেদক |
পুনের দাউন্দ এলাকায় এক মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। পিতার নাম শান্তারাম চ্যবণ, ৯ বছরের এক অবুঝ শিশুকে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটে এবং পরবর্তীতে পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। এই পৈশাচিক ঘটনার নেপথ্যে থাকা কারণটি সমাজ ও অভিভাবকত্বের চরম নৈতিক অবক্ষয়কে নির্দেশ করছে।
একটি মার্কশিট ও তুচ্ছ ঈর্ষা
তদন্তে জানা গেছে, শিশুটি তার সৎ ভাইয়ের মার্কশিটে নম্বর কাটাকাটি করেছিল। পরীক্ষায় তার সৎ ভাই প্রথম এবং সে দ্বিতীয় হয়েছিল। শিশুসুলভ জেদ বা ঈর্ষা থেকেই সে নিজের মার্কশিটে নম্বর বাড়িয়ে নিজেকে প্রথম দেখায় এবং ভাইয়ের মার্কশিট কেটে তাকে দ্বিতীয় বানিয়ে দেয়। পরে, এই সামান্য অবাধ্যতা বা ভুল সহ্য করতে পারেননি তার নিজ বাবা। নিজের সন্তানের প্রতি সামান্যতম মমতা না দেখিয়ে তিনি এক পৈশাচিক উন্মাদনায় মেতে ওঠেন।
এই হত্যাকাণ্ড কেবল একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং এটি আমাদের বর্তমান 'শিক্ষিত' সমাজের এক গভীর অসুখের প্রতিফলন। শিশুদের জীবনের মূল্যের চেয়েও যখন পরীক্ষার রেজাল্ট বা জিপিএ বড় হয়ে দাঁড়ায়, তখনই জন্মদাতার ভেতর এমন আদিম পশুত্বের জন্ম হয়।