

নতুন প্রজন্মের কাছে তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যাওয়া, তার হিন্দু পরিচয় এবং ভাষা নিয়ে বিতর্ক, এবং তার স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর অবহেলা বা < ধ্বংস।
যদিও 'আমার সোনার বাংলা' বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত এবং ভাষা আন্দোলনে তার গান গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবুও তার ধর্মীয় পরিচয় এবং 'সংস্কৃতায়িত বাংলা' ব্যবহারের কারণে কিছু ক্ষেত্রে তাকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, জুলাই এর পর থেকে। যার ফলে তার ঐতিহ্যকে 'নতুন বাংলাদেশ' থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে সচেতন মহল ও কবি প্রেমীদের।
বর্তমান প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন আগের মতো আবেদন তৈরি করছে না বলে অনেকে মনে করেন।
তার হিন্দু ধর্মাবলম্বী পরিচয় এবং 'সংস্কৃতায়িত বাংলা' ব্যবহারের কারণে কিছু মুসলিম-প্রধান সমাজে তাকে নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে, যা তার ঐতিহ্যকে দুর্বল করছে।
তার কুঠিবাড়ি ও অন্যান্য স্মৃতিচিহ্নগুলো অবহেলিত হচ্ছে, যা তার ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিতে সাহায্য করছে।
একটি 'নতুন বাংলাদেশ' গড়ার নামে কিছু রাজনৈতিক শক্তি রবীন্দ্রনাথকে বাদ দিতে চাইছে, যা তার ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।
ভাষা আন্দোলনের সময় যেখানে রবীন্দ্রনাথের গান নতুন জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল, বর্তমানে সেই প্রজন্মের উত্তরসূরিরা তাকে আগের মতো ভালোবাসে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বাংলার সুর,
'আমার সোনার বাংলা' আজও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, যা তার গভীর সম্পর্কের প্রমাণ।
ভাষা আন্দোলনে অবদান: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রচিত তার গান, ভাষা আন্দোলনের সময় বাঙালির পরিচয়ের ভিত্তি ছিল।
বিশ্বজনীন মানবতাবাদ: তার সাহিত্য ও দর্শন এখনো বিশ্বজুড়ে মানবতাবাদ, সংস্কৃতি ওFreedom of thought-এর প্রতীক হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
রবীন্দ্রনাথের ইতিহাস বাংলাদেশে হারিয়ে যাচ্ছে এমন একটি উদ্বেগ রয়েছে, যার মূলে রয়েছে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিভাজন, তবে তার সৃষ্টিকর্ম ও জাতীয় ঐতিহ্যে তার প্রভাব এখনো অপরিমেয় মনে করে সচেতন মহল।